Summary
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
FAO, যা Food and Agriculture Organization নামে পরিচিত, ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদস্য ১৯৪টি দেশ। এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে এবং এর উদ্দেশ্য হলো ক্ষুধা ও অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই করা। প্রধান লক্ষ্য হল খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা।
বাংলাদেশ FAO-এর সদস্য রাষ্ট্র, এবং ঢাকায় এর শাখা অফিস রয়েছে। FAO বাংলাদেশে খাদ্য ও কৃষির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, তবে বাংলাদেশ খাদ্যে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হয়ে থাকে।
এই সমস্যার মোকাবিলায় FAO সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে। এটি খাদ্য সরবরাহে সহায়তা ও কৃষি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা করে। এছাড়াও, ঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ्रস্ত কৃষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তাও প্রদান করে।
কাজ: বাংলাদেশে খাদ্য সমস্যা সমাধানে FAO-এর ভূমিকা মূল্যায়ন করা।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা FAO এর পুরো নাম Food and Agriculture Organization | এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪টি দেশ এর সদস্য। এর সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে । সংস্থাটি সারা বিশ্বে ক্ষুধার বিরুদ্ধে কাজ করছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণের মাধ্যমে বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়ন হচ্ছে ফাও-এর প্রধান লক্ষ্য।
বাংলাদেশ ফাও-এর একটি সদস্য রাষ্ট্র। ঢাকায় এর শাখা অফিস আছে। বাংলাদেশের খাদ্য ও কৃষির উন্নয়নে ফাও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বাংলাদেশ খাদ্যে পুরোপুরি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। উপরন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই আমাদের দেশে খাদ্য সংকট দেখা দেয়। এই সমস্যার মোকাবিলায় একটি খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ফাও সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সাহায্য দেয়। এছাড়াও ফাও খাদ্যদ্রব্য সরবরাহে সহায়তা ও কৃষির উন্নয়নে পরামর্শ দিয়ে থাকে । জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করে। ঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদে ও প্রান্তিক চাষিদের প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেয় সংস্থাটি।
কাজ : বাংলাদেশে খাদ্য সমস্যা সমাধানে ফাও-এর ভূমিকা মূল্যায়ন করো।
Read more